মনের যত্ন সবার আগে’ প্রজেক্টের প্রথম কর্মশালা উইনার আইডিয়াল স্কুলে সফলভাবে অনুষ্ঠিত
মনের যত্ন সবার আগে’ প্রজেক্টের প্রথম কর্মশালা উইনার আইডিয়াল স্কুলে সফলভাবে অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে এবং নিজেদের যত্ন নিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘মাইন্ডরিডার ফাউন্ডেশন’-এর বিশেষ উদ্যোগ ‘মনের যত্ন সবার আগে’ প্রজেক্টের প্রথম কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার আশুলিয়ায় অবস্থিত উইনার আইডিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দসহ প্রায় ১৫০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল—মানসিক স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতার ধারণা, মানসিক অসুস্থতার সাধারণ ও গুরুতর লক্ষণগুলো চিহ্নিত করার উপায়, দৈনন্দিন জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কৌশল এবং প্রয়োজনে সঠিক স্থান থেকে পেশাদার সহায়তা নেওয়ার গুরুত্ব। পুরো আয়োজনজুড়ে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, প্রশ্ন-উত্তর ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত ও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে। আয়োজনটি সফলভাবে বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন প্রজেক্ট ম্যানেজার রুবাইয়া আমিন অর্পা। এতে টিম মেম্বার হিসেবে যুক্ত ছিলেন সুখি আক্তার লামিয়া, নুরুন্নাহার আক্তার এবং রাজিয়া সুলতানা ঝুমুর। কর্মশালা শেষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। বিশেষ করে শিক্ষকমণ্ডলীর গঠনমূলক ফিডব্যাক ও আন্তরিক প্রশংসা আয়োজকদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। উল্লেখ্য, মাইন্ডরিডার ফাউন্ডেশন তাদের এই সচেতনতামূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের ৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মশালা পরিচালনা করবে। পরবর্তী ধাপে পুরো বাংলাদেশজুড়ে এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৭ এ.এম
চা বিক্রেতার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি ফরিদা
চা বিক্রেতার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি ফরিদা

রাজধানীর মধুবাগের ছোট্ট খুপরি ঘরেই বেড়ে ওঠা উম্মে সালমা। বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করে সংসার চালান, আর মা নাজমা বেগম কাজ করেন মানুষের বাসাবাড়িতে। অভাব-অনটনের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় A+ পেয়েছেন সালমা। স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ নিয়ে যখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উম্মে সালমার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। একই সঙ্গে কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। সম্প্রতি উম্মে সালমার ভালো ফলাফল ও পরিবারের আর্থিক সংকটের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উঠে আসে, এসএসসিতে A+ পেয়েও অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী। বিষয়টি নজরে আসার পর তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক। উম্মে সালমার বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করে সংসার চালান। তার স্ত্রী নাজমা বেগম মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন। দুজনের সামান্য আয়ে সংসারের খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যেও মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে আসছিলেন তারা। মিরাজ আলী বলেন, চা বিক্রি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন। মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। মেয়ে এসএসসিতে A+ পাওয়ায় তিনি খুব খুশি। তবে কলেজে ভর্তি ও পরবর্তী পড়াশোনার খরচ কীভাবে চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। জেলা প্রশাসক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উম্মে সালমার মা নাজমা বেগম বলেন, তার মেয়ে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী। তার স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার। তারা চান, মেয়ের পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই বন্ধ না হয়। জেলা প্রশাসক পাশে দাঁড়ানোয় তারা অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছেন। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, অদম্য মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর্থিক সংকট কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হতে পারে না। উম্মে সালমা প্রতিকূলতার মধ্যেও এসএসসিতে A+ পেয়েছে, যা তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ। তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নের কথা জেনে আমরা তার পাশে দাঁড়িয়েছি। কলেজে ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সে বিষয়ে নজর রয়েছে। উম্মে সালমার মতো শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। আমি আশা করি, সালমা তার স্বপ্ন পূরণ করে একদিন একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবে।

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৭ এ.এম
‘ভূমি অফিসে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, রাষ্ট্রের কাছে সেবা নিতে আসেন নাগরিক’: ডিসি ফরিদা
‘ভূমি অফিসে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, রাষ্ট্রের কাছে সেবা নিতে আসেন নাগরিক’: ডিসি ফরিদা

ভূমিসেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন হয়রানি, অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা দালালের দৌরাত্ম্যের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। জনগণের ভোগান্তি কমিয়ে স্বচ্ছ, সহজ ও দ্রুত ভূমিসেবা নিশ্চিত করাকে জেলা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক। ফরিদা খানম বলেন, একজন নাগরিক ভূমি অফিসে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, রাষ্ট্রের কাছে সেবা নিতে আসেন। তাই তাঁকে যথাযথ সেবা দেওয়া সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও নৈতিক দায়বদ্ধতা। ভূমিসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি, অনিয়ম বা হয়রানি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে দ্রুত সেবা কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নামজারি, খতিয়ান, মিউটেশনসহ ভূমিসংক্রান্ত সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ঘুষ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ফাইল আটকে রাখা, অযথা হয়রানি কিংবা দালালের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, নাগরিকদের সরাসরি ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সেবা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সরকারি ফি এবং সেবা প্রদানের সময়সীমা সম্পর্কে নাগরিকদের স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। নাগরিকদের সঙ্গে মানবিক আচরণের ওপরও গুরুত্ব দেন ফরিদা খানম। তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর জমি হয়তো জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই কোনো নাগরিক যেন ভূমি অফিস থেকে অপমানিত বা হয়রানির শিকার হয়ে ফিরে না যান। ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে সাফল্য সভায় জানানো হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঢাকা জেলায় সাধারণ খাতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবি ছিল ৮৪ কোটি ৭০ লাখ ৭২ হাজার ২৮০ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯৩ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৬ টাকা, যা দাবির ১১০ দশমিক ৬ শতাংশ। এ ছাড়া সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ ২৬ কোটি ১১ লাখ ১১ হাজার ১৬০ টাকা এবং অর্পিত সম্পত্তির লিজমানি বাবদ ৮ কোটি ৭৬ লাখ ৮৬ হাজার ১২৫ টাকা আদায় হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে এ সাফল্যের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি), তহসিলদার ও সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, এ অর্জন তাঁদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন। ফরিদা খানম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু ফাইল নিষ্পত্তি করা নয়, মানুষের সমস্যার সমাধান করা।’ জনগণ যেন দালাল ছাড়াই স্বচ্ছ ও সহজ প্রক্রিয়ায় ভূমিসেবা পান এবং কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সন্তুষ্টচিত্তে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই নিশ্চিত করতে হবে। সভায় ভূমি ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, ভূমিসেবা সহজীকরণ এবং নাগরিক ভোগান্তি কমানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ এ.এম
তামাকমুক্ত ঢাকা গড়তে কঠোর আইনের তাগিদ ডিসি ফরিদার
তামাকমুক্ত ঢাকা গড়তে কঠোর আইনের তাগিদ ডিসি ফরিদার

তামাক ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। তিনি বলেন, শুধু আইন থাকলেই তামাকমুক্ত নগর নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আইনের যথাযথ প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি, জনসচেতনতা এবং প্রমাণভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আর্ক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাক-ধূমপানমুক্ত নগর’ শীর্ষক ৪৮ মাসের প্রকল্পের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফরিদা খানম বলেন, বিদ্যমান আইন থাকা সত্ত্বেও নগরীর বিভিন্ন গণপরিসরে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, নারী ও প্রবীণরা। ধূমপান না করেও অন্যের ধোঁয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই গণপরিসরে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে আইনের প্রয়োগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, চার ধাপে পরিচালিত কর্মভিত্তিক গবেষণা প্রকল্পটি স্থানীয় পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় টাস্কফোর্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন তামাকমুক্ত নগর গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তামাক নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ঢাকা জেলা প্রশাসন সবসময় আন্তরিক ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ধূমপানমুক্ত আইন বাস্তবায়নে গণপরিসরে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও কঠোর তদারকি অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জেলা ও স্থানীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্সকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের বাস্তবতা ও গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং গবেষণা দলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নগরভিত্তিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করবে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রমাণভিত্তিক তথ্য ও সমন্বিত উদ্যোগই পারে একটি নগরকে টেকসইভাবে পরিবর্তন করতে। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রকল্পের গবেষণালব্ধ ফলাফল ভবিষ্যতে তামাক নিয়ন্ত্রণে নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত রূপরেখা তৈরি করবে।’ অনুষ্ঠানে আর্ক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, দেশি-বিদেশি গবেষক ও অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, সিটি করপোরেশন ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান থেকে তামাকের ব্যবহার ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণপরিসরে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫১ এ.এম
নজরুলের চেতনায় মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ার আহ্বান
নজরুলের চেতনায় মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ার আহ্বান

সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনায় নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার আহ্বানের মধ্য দিয়ে রাজধানীর ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ্ পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতা। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় বাহাদুর শাহ্ পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু জাতীয় কবি নন, তিনি চেতনা, সাম্য ও মানবতার কবি। অন্যায়, শোষণ ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ছিল প্রতিবাদের শক্তিশালী হাতিয়ার। মন্ত্রী বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন নতুন প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করে। তাই নজরুলকে শুধু পাঠ্যবই কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর আদর্শকে তরুণ প্রজন্মের জীবনচর্চার অংশ করে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, নজরুলের চেতনাকে শুধু সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না; তাঁর সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আজ কে বিজয়ী হলো, সেটি বড় কথা নয়। এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা হলো, শিক্ষার্থীরা নজরুলের সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং তাঁর চেতনাকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করার সুযোগ পাচ্ছে।’ ঢাকা জেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সভাপতি হেলাল খান। অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি, নজরুলসংগীত পরিবেশন এবং নজরুলের সাহিত্যভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাম্য, মানবতা, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ এ.এম
1
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উদযাপন
2
এক পা হারানো অসহায় নার্গিসের পাশে ডিসি ফরিদা
3
পর্যটন: সেকাল, একাল এবং ভবিষৎকাল
4
ইলিশ আমদানি কমাতে বারবার মন্ত্রণালয়ে ‘চিঠি’, তবুও নেই উদ্যোগ
5
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে দেশের প্রথম রোবোটিক সার্জারির অ্যাপ্লিকেশন ইঞ্জিনিয়ার
6
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সেলিম মাহমুদ
7
‘ভুল তথ্য দিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে’: এডিসি শামীম
8
রিকশাচালকের ছদ্মবেশে পুলিশ, ১০০ ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী
9
জাতীয় ছাত্রশক্তির লাকসাম উপজেলা কমিটি ঘোষণা
10
ডিআইইউতে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির ঘটনায় দায় স্বীকার করে মুচলেকা; হলের সিট বাতিল
11
শিক্ষা বাজেটের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ: মেধা বাঁচানোর শেষ সুযোগ
12
মেধাবীদের দেশ গড়ার কারিগর হওয়ার আহ্বান ডিসি ফরিদার
13
ডিআইইউতে সাংবাদিকের ওপর হামলা: ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
14
ডিআইইউতে সাংবাদিকের ওপর হামলা: ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন
15
সাংবাদিক হত্যার হুমকির অভিযোগে ছাত্রদল, ছাত্র আন্দোলন ও বৈছাআ'র নিন্দা
16
মাহমুদুল হত্যায় প্লাবনের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে: দাবি ডিআইইউ শিবিরের
17
ডিআইইউতে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: থানায় জিডি
18
ডিআইইউতে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: কিশোর গ্যাং নেতা প্লাবনকে শোকজ
19
৩০ বছরের অপেক্ষার অবসান, বেদে পল্লীর মানুষের পাশে ডিসি ফরিদা
20
সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন